AM Theme
AM Theme is a collection of WordPress Theme, WordPress Plugin
Thursday, 13 July 2017
Tuesday, 11 July 2017
Wednesday, 21 June 2017
Friday, 23 September 2016
একটি ইউটিউব চ্যানেল হতে পারে আপনার আয়ের প্রধান উৎস
সারা বিশ্বে ভিডিও শেয়ারিং এর জন্য ইউটিউব হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। বিভিন্ন রকম প্রয়োজনে বা বিনোদনের জন্য ইউটিউব থেকে আমরা ভিডিও দেখে থাকি। বিনোদন, খেলাধুলা সহ নানা রকম শিক্ষামূলক ভিডিও ইউটিউবে পাওয়া যায়। এই রকমই একটি ইউটিউব চ্যানেল হচ্ছে- 3rdeyes
আমরা হয়তো অনেকেই ইউটিউবে চ্যানেল তৈরী করতে পারি, ভিডিও আপলোড করতে পারি। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা, কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়! যদি জানতাম, তবে দেশে বেকারত্বের হার কিছুটা হলেও কমতো।
যদি চেষ্টা করেন, তবে ইউটিউব থেকে আপনিও আয় করতে পারবেন, যা হবে সম্মানজনক আয়। এটি খুব কঠিন কাজ নয়। তবে এর জন্য নিজের ভিতর সৃজনশীলতা থাকতে হবে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ও দর্শকদের আকৃষ্ট করার ক্ষমতা থাকতে হবে। এমন কোন বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরী করতে হবে, যা মানুষ ইন্টারনেটে খোঁজ করে এবং যার চাহিদা আছে। অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরী করলে আপনার কষ্ট করা হবে ঠিকই, কিন্তু আয় হবে না। সুতরাং সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই ভিডিও তৈরী করতে হবে।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য টাকা খরচ করতে হবে কিনা! আমার সরাসরি উত্তর না। আমরা ইউটিউবে যে ভিডিও দেখি সেটিও যেমন বিনামূল্যে দেখি। তেমনি, ইউটিউবে চ্যানেল তৈরী করে আয় করার বিষয়টিও সম্পূর্ণ ফ্রি।
আপনি যদি ইউটিউবে চ্যানেল তৈরী করে আয় করতে চান, তবে নিচের কয়েকটি বিষয় সবসময় স্মরণ রাখবেনঃ
১) অন্যের চ্যানেল থেকে কোন ভিডিও কপি করে নিজের চ্যানেলে চালানোর চেষ্টা করবেন না।
২) অন্যের কোন অডিও ক্লিপ আপনার ভিডিওতে যুক্ত করে, ভিডিও তৈরী করে চালানো চেষ্টা করবেন না।
৩) কখনোই কোন প্রকার অশ্লীল ছবি কিংবা অশ্লীল ভিডিও চ্যানেলে আপলোড করবেন না।
৪) যদি কোন শিক্ষনীয় বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরী করতে গিয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের বিষয়বস্তু যুক্ত করতেই হয়, তবে সেই ভিডিওতে বয়েসের সময়সীমা উল্লেখ করে দিবেন।
আমার লেখা যদি আপনাদের ভালো লাগে তবে আমার ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেননা। আর এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
Monday, 19 September 2016
ফ্রীল্যান্সিং এর কাজ কিভাবে শিখবেন
ফ্রিল্যান্সিং এ আপনি যদি ভালো কিছু করতে
চান তবে কাজে খুব ভালো দক্ষতা থাকতে হবে। আর এই দক্ষতা অর্জনের জন্য আপনাকে প্রচুর পরিশ্রম,
নিষ্ঠা, তীব্র ইচ্ছা আর সঠিক দিকনির্দেশনা থাকতে হবে। ভালোভাবে ফ্রিল্যান্সিং
এর কাজ শিখে নিতে পারলে পরবর্তী ধাপগুলো খুব সহজ হয়ে যায়। কিন্তু আপনি যদি ভালোভাবে কাজ
শিখতে না পারেন তবে কখনোই ভালো কিছু আশা করা যাবেনা।
ফ্রিল্যান্সিং এর জন্যে
কাজ কিভাবে শেখা যায় সেটা নিয়েই ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক আমাদের এবারের আলোচনা।
কাজ শেখার জন্যে আমার
পছন্দের শীর্ষেই আছে অনলাইন। অনলাইনে কাজ শেখার এতো দারুণ সুযোগ-সুবিধা আছে যে
সেগুলো যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয় তাহলে যেকেউ যেকোনো বিষয়ে রীতিমত দক্ষ হয়ে যেতে পারবে।
অনলাইনে অসংখ্য উপায় আছে যেখান থেকে
আপনি খুব সহজেই শিখে নিতে পারবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত বিষয়। এর জন্যে আপনার প্রয়োজন
হতে পারে ভালো স্পিডের ইন্টারনেট কানেকশন। যা আপনার অনেক মূল্যবান সময় বাঁচিয়ে
দিবে। বিষয়ভিত্তিক অনেক ব্লগ/ওয়েবসাইট/ফোরাম আছে যেখানে বিভিন্ন বিষয়ে ফ্রি/পেইড
কোর্স রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে প্র্যাকটিসের সুযোগও। আপনাকে শুধু ধৈর্য্য ধরতে হবে
এবং কাজ শেখার জন্যে সময় দিতে হবে। বাকিটুকু নির্ভর করবে আপনি কত দ্রুত শিখতে
পারেন আর কতটা প্র্যাকটিস করতে পারেন তার উপর।
অনলাইনে শিখতে চাইলে
আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে ভালো দখল থাকতে হবে। তা না হলে অনলাইনে কাজ শেখা আপনার
জন্যে একটু কষ্টদায়কই হয়ে যাবে বটে !
ট্রেনিং সেন্টার
ইংরেজিতে দূর্বলতা থাকলে
বা হাতে কলমে শিখতে চাইলে ট্রেনিং সেন্টার থেকে কাজ শিখতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে
পাড়ার চিপাচাপার কোন ট্রেনিং সেন্টারে
গেলে নিতান্তই বোকামি হয়ে যাবে। ভালো নাম ডাক আছে, দক্ষ শিক্ষক আছে এমন কোন ট্রেনিং সেন্টার থেকে ট্রেনিং নেয়াই ভালো।তাছাড়া
ট্রেনিং সেন্টারের সাফল্য সম্পর্কেও একটু খোঁজ খবর করে নেয়া ভালো। যারা আগে
ট্রেনিং নিয়েছে তাদের কাছ থেকে মতামত নিতে পারেন ।
কাজ আপনি যেখানেই শিখুন
না কেন আপনাকে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হবে। অনেক কিছুই নিজের ইচ্ছায় শেখার চেষ্টা করতে হবে। আর যা যা শিখলেন সেগুলো নিয়মিত
প্র্যাকটিসের মধ্যে রাখতে হবে। মাঝে মাঝে নিজেই নিজেকে একটা টেস্ট করে নিতে পারেন।
ধরুণ আপনি ওয়েব ডিজাইনের কাজ শিখছেন। তো যেকোনো একটা কোম্পানীর ডিজাইন নিয়ে সেটার মতো
করে কিছু একটা করার চেষ্টা করুন। এতে করে কতটুকু শিখলেন তা যাচাই করতে পারবেন,
পাশাপাশি আপনার শেখাটাও ঝালাই হয়ে যাবে।
আর কোর্স শেষ হয়ে গেলেই
শেখা বন্ধ করে দিবেন না। কোন বিষয়ই স্থির না, নিত্য নতুন বিষয়াদি প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে বা বাদ যাচ্ছে।
সেগুলোর সাথে তাল মিলানোর জন্যে নিয়মিত শেখার মধ্যেই থাকতে হবে।
Subscribe to:
Comments (Atom)